April 19, 2026, 6:41 pm

সিদ্ধিরগঞ্জে কিশোর গ্যাং হোসেন গ্রুপ এর সক্রিয় ৯ সদস্য গ্রেফতার

২০ জুন রবিবার ২০২১ ইং তারিখ র‌্যাব-১১ এর একটি আভিযানিক দল রাত ১১:৩০ ঘটিকায় নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন আটি ওবদা সাকিনস্থ ল্যান্ডিং মোড়ের বাহাদ হোসেনের চায়ের দোকানের সামনে পাঁকা রাস্তার ওপর বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ০৯ জন (অপ্রাপ্ত বয়স্ক ০২ জন) কিশোর গ্যাং এর সক্রিয় সদস্যদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীদের হেফাজত হতে এসএস পাইপ-০৬টি, সুইচ গ্রিয়ার চাকু-০৩টি উদ্ধার করা হয়। আসামীদের বিবরণ নি¤œরূপঃ

ক। মোঃ মিলন হোসেন (২৮) জেলা- নারায়ণগঞ্জ
খ। মোঃ সারোয়ার হোসেন @অপূর্ব (২৬) জেলা- নারায়ণগঞ্জ
গ। মোঃ আমিন উদ্দিন জনি (২৭) জেলা- নারায়ণগঞ্জ
ঘ। মোঃ বাবু (২০) জেলা- নারায়ণগঞ্জ
ঙ। মোঃ ইকবাল হোসেন (১৯) জেলা-ভোলা
চ। মোঃ আরিফ হোসেন (২৬)-চাঁদপুর
ছ। মোঃ রবিন (১৮)-কিশোরগঞ্জ
জ। অপ্রাপ্ত বয়স্ক (০২) জন

প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, আটককৃত কিশোর গ্যাং (হোসেন গ্রæপ) এর সদস্যরা নিয়মিত নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন এলাকায় সন্ত্রাসী ও ছিনতাই কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। তারা প্রত্যেকে হোসেন গ্রæপ এর সক্রিয় সদস্য। বেশ কিছুদিন যাবৎ তারা পরিকল্পিতভাবে রাস্তা-ঘাটে দলবদ্ধ হয়ে সংঘাত সৃষ্টি ও জনগণের মনে ভয়ভীতি দেখিয়ে এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করে আসছিল।

উপরোক্ত বিষয়ে প্রযোজনীয় আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা